রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৪১
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

গুলি চালানো পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হবে না: আসিফ

ডেস্ক রিপোর্ট ।। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যেসব পুলিশ সদস্য গুলি চালিয়েছেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

রোববার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন বার্ন ইউনিটে ভর্তি থাকা রোগীদের দেখতে যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তারা ভর্তি থাকা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় আর্থিক সহযোগিতা বাবদ প্রত্যেকের হাতে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন দুই উপদেষ্টা।

আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই বিপ্লবে নিরস্ত্র সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর যেসব পুলিশ সদস্য গুলি চালিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

উপদেষ্টারা জানান, এদিন সারা দেশে ১৭৬ জনকে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ ৪২ হাজার ৫০ টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে। ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে উপদেষ্টারা এ সহায়তা দেয়া হয়।

আন্দোলনে হতাহতদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর ও ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে জানিয়ে তারা আরও জানান, ১৬০০০ নম্বরে সকাল ১০ থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কল করে সমস্যা ও সহায়তার কথা জানানো যাবে।

উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। সেই আন্দোলন দমাতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করে। এতে অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত হন। যদিও পরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।